নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জে “জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা”র উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে আলোচনা, সম্মাননা, জেলা ইউনিটের নতুন কমিটি গঠন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৪৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিটের আয়োজনে শহরের আখড়া বাজার সেতু সংলগ্ন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে এসব র্যালি, আলোচনা, সম্মাননা প্রদান, জেলা ইউনিটের নতুন কমিটি গঠন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও স্বাধীনতার পক্ষের প্রতিষ্ঠান জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা”র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- চ্যানেল আই’এর জয়েন্ট নিউজ এডিটর হাফসা হোসাইন।
জেলা ইউনিটের সভাপতি রেজাউল হাবীব রেজার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-বিআরডিবির সাবেক পরিচালক বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মো. নিজাম উদ্দিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসাইন, আওয়ামী লীগ নেতা সাকাউদ্দিন আহমেদ রাজন, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, জেলা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম, মানবজমিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম, জেলা ইউনিটের উপদেষ্টা ডা. এম এ হালিম তালুকদার, ব্যাংকার মোতাহার হোসেন, করিমগঞ্জ ইউনিটের উপদেষ্টা শেখ আবুল মনসুর লনু প্রমূখ।
জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক সাদীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন নতুন কমিটির সভাপতি মো: শফিক কবীর, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুকুজ্জান, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী রেজা সুমন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে সাংবাদিকদের ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বারোপ করেন এবং চলমান সাংবাদিকদের উপর হামলা-মামলার প্রতিবাদ ও সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাসহ সকল হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
আলোচনা সভা শেষে নারী সাংবাদিকতার প্রতিকৃতিতে বিশেষ অবদান রাখায় কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হাফসা হোসাইন, প্রবীণ সাংবাদিক এম এ রশিদ ভুইয়া ও সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় মো: রফিকুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
স্মারক প্রদান শেষে সকলের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
পরে সন্ধ্যায় জাতীয় ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।