1. admin@aalokbarta.com : admin@123 :
  2. wpsvc_dc6021976a8b@wordpress-svc.internal : wpsvc_dc6021976a8b :
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড। - আলোক বার্তা
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, বন্ধ থাকবে আহরণ। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড। “ডাকসুতে বঙ্গবন্ধুর ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে বিক্ষোভ। ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের প্রতিবাদে গোলাম আযমকে জুতাপেটার ছবি, ছাত্র ফেডারেশনের পাল্টা বার্তা। আমি ভার্জিন, কোনো ভুয়া বার্তা এই সত্যকে বদলাতে পারবে না’—মেঘানা আলম। আওয়ামীলীগের নেতা-মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বনাশ করে দিয়েছে-স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান। ভোলায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্ত। যা পাইনি, তারাও কি আমাদের জীবনের অংশ নয়? লালবাগে বাসা থেকে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড।

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

কারা মৃত্যুদণ্ড পেলেন?

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান

মামলায় কী অভিযোগ ছিল?

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, আন্দোলন দমনে আসামিরা রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা এবং ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঠে নামানো, সহিংসতার পরিকল্পনা এবং দমন-পীড়নে ভূমিকা রাখার অভিযোগও আনা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্কে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিল। অন্যদিকে আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা অভিযোগ অস্বীকার করে খালাসের আবেদন করেন।

পলাতক অবস্থায় বিচার

মামলার সাত আসামির কেউই ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের পলাতক দেখিয়েই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের খরচে তাদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল।

রায়ের পরবর্তী প্রক্রিয়া

ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার বা আপিলের সুযোগ রয়েছে কি না এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া কী হবে—তা সংশ্লিষ্ট আদালত ও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর


প্রযুক্তি সহায়তায় TECH SPACE