1. admin@aalokbarta.com : admin@123 :
  2. wpsvc_dc6021976a8b@wordpress-svc.internal : wpsvc_dc6021976a8b :
১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান। - আলোক বার্তা
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আমি ভার্জিন, কোনো ভুয়া বার্তা এই সত্যকে বদলাতে পারবে না’—মেঘানা আলম। আওয়ামীলীগের নেতা-মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বনাশ করে দিয়েছে-স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান। ভোলায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্ত। যা পাইনি, তারাও কি আমাদের জীবনের অংশ নয়? লালবাগে বাসা থেকে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার রাবির নবীনবরণে গোলাম আযমের বই উপহার, ক্যাম্পাসজুড়ে আলোচনা। জামায়াতের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই জনগণের লংমার্চ: রাশেদ খাঁন। ক্যামেরা ও ব্যাটারিতে বড় চমক, বাজারে এল iPhone 18 Pro সিরিজ। জিয়াউর রহমানের শাসনামল: পরিবর্তনের রাজনীতি, উন্নয়নের উদ্যোগ ও বিতর্কের অধ্যায়।

১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান।

  • Update Time : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধা

নিয়োগ-পদায়ন, টেন্ডার ও উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগও; সুইস ব্যাংকসহ কয়েক দেশে অর্থ রাখার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | আলোক বার্তা

সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে বিপুল অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ। দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে পাওয়া নতুন অভিযোগগুলো চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ

দুদকে দেওয়া অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে মোট প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুবাইয়ে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এসব অর্থ দিয়ে বিদেশে ভিলা কেনা, ব্যবসায় বিনিয়োগ এবং সুইস ব্যাংকে অর্থ রাখার ঘটনা রয়েছে। পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মাধ্যমেও অর্থ পাচারের অভিযোগ করা হয়েছে।

নিয়োগ-পদায়ন ও টেন্ডার নিয়েও অভিযোগ

দুদকের অনুসন্ধানে সরকারি বিভিন্ন পদে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং দেশের ৩৬ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়নে ২ থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগেও বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নেওয়া এবং নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডারে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় এসেছে।

উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় বাড়ানোর অভিযোগ

অভিযোগের মধ্যে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সেতু নির্মাণ, ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্প এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ও রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত নয়। দুদকের অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা, অর্থের উৎস ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করা হবে।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বরও আসিফ মাহমুদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দুদক। তার দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগও তখন অনুসন্ধানের আওতায় আসে।

আলোক বার্তার পক্ষ থেকে: অভিযোগগুলোর বিষয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বা তার পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর